ডেস্ক রিপোর্ট
প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ শায়খুল হাদীস আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী (রহ.)’র স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দারুল হাদীস কানাইঘাট মাদ্রাসার বার্ষিক ইসলামী মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার মাদ্রাসা মাঠে সকাল ১০ টায় মাদ্রাসার মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শায়খে লক্ষীপুরীর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার সহ-শিক্ষক মাওলানা ক্বারী হারুনুর রশীদ চতুলীর পরিচালনায় ওয়াজ মাহফিল শুরু হয়।
মাহফিলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় লক্ষাধিক ধর্মপ্রান মানুষ শরীক হন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বয়ান পেশ করেন আন্তর্জাতিক মুফাসসিরে কুআরন শায়খুল হাদিস আল্লামা হাসান জামিল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ^ মানবতার কল্যাণে মুসলিম জাতির তাকওয়া অর্জনই ইহ-পরকালীন শান্তি ও মুক্তির একমাত্র পথ। ইসলামের সু-মহান আদর্শ তুলে ধরে আওলাদে রাসুল বলেন, ভারতের দেওবন্দের আক্বীদায় বিশ্বাসী হক্কানী উলামায়ে কেরামগনই দ্বীন ইসলাম টিকিয়ে রাখতে সারাদেশে ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছেন। দারুল উলূম কানাইঘাট মাদ্রাসা সহ কৌমী মাদ্রাসাগুলো ইসলামের সঠিক আক্বীদা ও বিশ্বাস লালন করে যাচ্ছে।
বিশেষ অতিথির বয়ান পেশ করেন, মুফতি আব্দুল মতিন ঢাকা, আমানুল হক ঢাকা, আলিমুদ্দীন দুর্লভপুরী, মাওলানা আহমদ আলী চিল্লা, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা মস্তাক আহমদ খান, শামসুদ্দীন দুর্লভপুরী, মাও. হা. হারুনুর রশীদ, মাও. আলী রামপ্রসাদী, মাওলানা শিহাব উদ্দিন, মাওলানা কুতুব উদ্দিন সহ দেশ বরেন্য অর্ধ শতাধিক উলামায়ে কেরামগন।
ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব আব্দুল কাহির চৌধুরী, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মুমিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান, সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সাংবাদিক এম.এ হান্নান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বারিউল করিম খান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশ, কানাইঘাট প্রেসক্লাব সভাপতি রোটারিয়ান শাহজালাল সেলিম বুলবুল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল্লাহ শাকির, পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন, থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুদ্দোহা পিপিএম, বড়চতুল ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন চতুলী প্রমুখ।
বার্ষিক বিশাল ওয়াজ মাহফিলে লক্ষাধিক মুসলিম জনতার উপস্থিতিতে জামেয়ার অর্ধশতাধিক দাওরায়ে হাদিস ও হিফজ্ বিভাগের ছাত্রদেরকে দস্তারে ফজিলত প্রদান করা হয়। মাহফিলে সন্ধ্যায় বেশ কয়েকটি বিবাহ (আকদ্) সম্পন্ন হয়েছে।