অনলাইন ডেস্ক:
অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের অদূরে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জন রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৬৩ জনকে। নিহতদের মধ্যে চারজন শিশু ও ৯ জন নারী রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ১৫ জনের লাশ উদ্ধার ও ৬৩ জন মানুষকে উদ্ধার করা হয়। ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনো ২শতাধিক নিখোঁজ রয়েছেন। ট্রলারটিতে ৩ শতিাধিক যাত্রী ছিল। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী।
নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ট্রলার ডুবিতে নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগ রোহিঙ্গা।
টেকনাফ থানর ভারপাপ্ত কর্মকর্তা দীপ কুমার দাশ জানান এ পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, গতকাল রাতে টেকনাফ উপকূল দিয়ে দুটি ট্রলার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে সাগরের পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে একটি ট্রলার ডুবে যায়। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার করা কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, দালালদের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে বের হয়ে তারা মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের চেয়ারম্যান নূর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।