নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের জাফলংয়ের মসজিদের পানি দুষিত হচ্ছে রেস্টুরেন্টের ময়লায়। মসজিদ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশ বরাবরে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই একই অভিযোগ অনুলিপি আকারে সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ পুলিশের উর্ধ্বতন মহলে দেয়া হয়েছে। অভিযোগ করেছেন হাজী সোনা মিয়া জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি হাজি খায়রুল মিয়া।
অভিযোগে বলা হয়, সোনাটিলা বিজিবি ক্যাম্পের কাছে ২০১৬ সালে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হাজী সোনা মিয়া জামে মসজিদ নির্মাণ করেন। এর পর থেকে ওই মসজিদে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ পর্যটকরা নিয়মিত নামাজ পড়ে আসছেন। আশপাশে কোনো মসজিদ না থাকায় মসজিদটিতে বিপুল পরিমাণ মুসল্লির সমাগম ঘটে। কিন্তু জাফলং পর্যটন রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারের ময়লা ও দুষিত পানি মসজিদের ওজুর পানি দুষিত করছে। গত ১৬ ডিসেম্বর ওই রেস্টুরেন্ট চালু করেন বাবুল আহমদ, কালাম উদ্দিন ও জামাল উদ্দিন। রেস্টুরেন্টের ভেতরে চালু করা হয় গণসৌচাগার। এই সৌচাগারে যারা যান তাদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে নেয়া হয়। ওই সৌচাগার ও রেস্টুরেন্টের পানি মসজিদের ওজুর পানির কোয়ায় গিয়ে পড়ে। এতে ওজুর পানি দুষিত হওয়ার পাশপাশি পরিবেশ দুষিত হচ্ছে।
অবস্থা নাজুক পর্যায়ে চলে যাচ্ছে দেখে মসজিদের মোতাওয়াল্লিসহ স্থানীয় মুসল্লিরা রেস্টুরেন্টের মালিক পক্ষের সাথে গত ২১ ডিসেম্বর সাক্ষাত করেন। গণসৌচাগারের ময়লাযুক্ত পানি মসজিদের ওজুর পানির সাথে মিশে যাচ্ছে-এমন কথা জানায় রেস্টুরেন্টের মালিককে। রেস্টুরেন্টের মালিক ফারুক, জামাল ও কামাল মুসল্লিদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে উল্টো নানা ধরণের হুমকী প্রদান করেন। ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে অভিযোগে।
