ডেস্ক রিপোর্ট:
নতুন বছরে মন্ত্রিসভায় রদবদল (রিশাফল) হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ তথ্য জানান।
২৪ ডিসেম্বর প্রেসিডিয়াম কমিটির বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হতে পারে ওবায়দুল কাদের জানান।
মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা একেবারে শেষ হয়ে গেছে, তা বলা যাবে না। বাংলাদেশে এ মুহূর্তে সন্ত্রাসী হামলা হয়নি বলে আমরা বসে থাকব না। জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা এখনও সক্রিয় আছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। পদ্মাসেতু, মেট্রোরেলসহ মেগা প্রকল্পের অনেক কাজ এগিয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই এগুলোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকী ববি এরা কেউ নেতৃত্বে আসবেন এমন কোনো ইঙ্গিত পাইনি।
অপর এক প্রশ্নে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন বলে দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে।
দল সম্পর্কে তিনি বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শত্রুরাও এ কথা বলবে। তবে আমরা স্বস্তিতে ছিলাম না। সম্মেলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অস্বস্তিতে ছিলাম। বিরোধীদের অনেকেই সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও বিএনপির পক্ষ থেকে কেউ ছিলেন না। তারা যে নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে, এটি গণতান্ত্রিক চর্চা। তারা সমালোচনা করেছে, এটিও ভালো।
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, কিছু নতুন মুখ এসেছে। দলকে শক্তিশালী ও গতিশীল করা এই কমিটির লক্ষ্য।’
বাদ পড়াদের সম্পর্কে বলেন, তারা ওয়ার্কিং কমিটিতে স্থান পেতে পারেন।
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আজ আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনা করছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছে। অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগকে সামনে এগোতে হয়েছে। সরকার গঠন করতে জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট করতে হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ তার আদর্শ থেকে এক চুল পরিমাণও সরে যায়নি। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে আমাদের অনেক কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে।